শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সকালের বার্তাঃ-
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান বলেছেন, আজকে যখন জুলাই ঘোষণায় ৭১ এর কথা আসে, ওই বন্ধুরা যারা ৭১ এ বাংলাদেশ চায়নি, তাদের খারাপ লাগে। তারা হতাশা প্রকাশ করেন। আরে ভাইয়েরা যতই হতাশা প্রকাশ করেন তাদের বলতে চাই, এই বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ লাল সবুজের পতাকার বাংলাদেশ।
আপনারা যারা চাননি তাদের ৭১ এর কথা শুনলে হতাশা লাগে। আপনারা জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নির্বাচনে আসুন। পিআরের কথা বলেন আবার ৩০০ আসনেই নমিনেশন দেন। কেমন দরনের দ্বিচারিতা আপনাদের মাঝে। ওই দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে। এটা বাংলাদেশের সাথে গণতন্ত্রের সাথে প্রতারণা। যদি পিআরই চান তাহলে ঐক্যমত কমিশনে একমত প্রকাশ করলেন কেন। যে নিম্ন আদালতে পিআরের প্রয়োজন নেই। আর মাঠে এসেই মাঠ গরম করার চেষ্টা করেন। বিএনপির চেয়ে বড় সংস্কার কে চেয়েছেন। সোমবার দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শহরের শহিদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, তারা ৭১ সালে বলেছিলো, পাকিস্তান আমাদের দেশ, আমরা বাংলাদেশ হতে দেবো না। সেদিন বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ মেজর জিয়ার ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রণাঙ্গনে নেমেছিলো ও সমর্থন দিয়েছিলো।
যারা বলেছিলো, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হতে দেবো না, তাদের সমোচিত জবাব দিয়ে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বুক চিতিয়ে লড়াই করে এই বাংলাদেশ টা স্বাধীন করেছিলো।
তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালে বেগম খালেদা জিয়া জাতির স্বার্থে ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছিলেন। বিএনপিকে সংস্কার শেখাতে আসেন, দয়া করে ওই ভুল কাজটি করবেন না। বিএনপির সকলের আগে সংস্কারের কথা বলেছেন। বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়েছে। এটা চলতে থাকবে। এটা এক দুদিনের বিষয় নয়। এক যুগ বিচার হবে। তারপর পরবর্তীতে মানবতার শত্রুদের শাস্তি দেয়া যাবে। তাহলে কি আমরা এক যুগ অনির্বাচিত সরকারের অধীনে থাকবো।
তিনি বলেন, আসলে আপনার নির্বাচন চান না, আপনারা জনগণকে ভয় পান। যারা জনগণকে ভয় পায়, তারা গণতন্ত্র ও নির্বাচন চায় না। আমরা ৭১ এ যেমন মেজার জিয়াউর রহমানের ঘোষণায় বুক চিতিয়ে লড়াই করেছি। ঠিক তেমনি ২৫ আমরা গণতন্ত্র ও নির্বাচনের জন্য বুক চিতিয়ে রাস্তায় থাকবো। আমাদেরকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আজকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শপথ, এদেশের মানুষের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, তাদের সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো। আর গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য শত বাধার মুখে শত ষড়যন্ত্রের মুখে উৎসব মুখর পরিবেশে বাংলাদেশ নির্বাচন হবে।
এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে শহিদ মিনার থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Leave a Reply